উত্তরবঙ্গউৎসবরাজনীতিরায়গঞ্জ

শারদীয়া পোস্টার নিয়ে ইসলামপুরের দারিভিট এলাকায় ঝামেলা

দীপঙ্কর দে (টি.এন.আই ইসলামপুর) । টি.এন.আই সম্পাদনা শিলিগুড়ি

বাংলাডেস্ক, টি.এন.আই, ইসলামপুর, ১৫ই অক্টোবর, ২০১৮: এবছরও ফের পোস্টার বিতর্কে উত্তেজনা ছড়ালো ইসলামপুরের দারিভিট এলাকায়। উত্তর দিনাজপুরের জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি ফারহাত বানুর শারদীয়া শুভেচ্ছার পোস্টার দারিভিট বাজারের দুর্গাপূজা মন্ডপে লাগানো নিয়ে সোমবার উত্তেজনা দেখা দেয়। জানা গিয়েছে, পন্ডিতপোতা-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের দারিভিট এলাকার জেলা পরিষদ সদস্য তথা জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি ফারহাত বানু ও তৃণমূল নেতা জাভেদ আখতারের শারদীয়া শুভেচ্ছা পোস্টার দারিভিট বাজার দুর্গাপূজা কমিটির ঘট পুজো মন্ডপে লাগায় দুর্গাপূজা কমিটির সম্পাদক তথা অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি সুবোধ মজুমদার বলে অভিযোগে এদিন সকালে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয় বাসিন্দারা পুজো মন্ডপে কোনও রাজনৈতিক দলের পোস্টার লাগানো নিয়েই আপত্তি জানায় বলে জানা গিয়েছে। পরিশেষে মন্ডপের পাশে ইলেকট্রিক ট্রান্সফর্মারের নীচে উল্লেখিত শুভেচ্ছা পোস্টার সরিয়ে লাগানো হয়। এদিকে ওই পোস্টার লাগানোর জন্য ৫০ হাজার টাকা পূজা কমিটি পেয়েছে বলে অভিযোগ। এসব নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেই তীব্র বচসা বেঁধে যায় বলে অভিযোগ। পরে যদিও স্থানীয়রাই বিষয়টি মিটিয়ে নেন। উল্লেখ্য, গত বছরও ওই পুজো মন্ডপেই তৃণমূলের পোস্টার লাগানোয় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ পোস্টার থেকে কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। দারিভিট বাজার দুর্গাপূজা কমিটির কোষাধ্যক্ষ পবন সরকার বলেন, এলাকার ছেলের মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাগ্রস্ত। এরমধ্যে ঘট পুজো করে কোনও মতে নিয়মরক্ষা করেছি। তারমধ্যে মন্ডপে পোস্টার লাগানো নিয়ে একটা সমস্যা হয়েছিল তবে তা আমরা মিটিয়ে নিয়েছি। কিন্তু ৫০ হাজার টাকার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। দারিভিট বাজার দুর্গাপূজা কমিটির সম্পাদক সুবোধ মজুমদার বলেন, গত বছর পোস্টার লাগানোয় অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতীরা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ পোস্টার থেকে কেটে নিয়ে গিয়েছিল এটা ঠিকই। এবার জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি ফারহাত বানুর শারদীয়া শুভেচ্ছার পোস্টার লাগানো নিয়ে আপত্তি উঠলে সেটা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ৫০ হাজার টাকার বিষয়ে মিথ্যা প্রচার করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে তৃণমূল নেতা জাভেদ আখতারকে ফোনে যোগাযোগ করা হলে উনি ফোন ধরেননি।

ছবি: দীপঙ্কর দে (টি.এন.আই)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *