উত্তরবঙ্গবালুরঘাট

বড়দিনে পিকনিকে ইভ টিজিং রুখতে কুমারগঞ্জ পুলিশ প্রশাসনের বিশেষ পদক্ষেপ

দীপঙ্কর মিত্র (টী.এন.আই বালুরঘাট) । টি.এন.আই সম্পাদনা শিলিগুড়ি

বাংলাডেস্ক, টী.এন.আই, কুমারগঞ্জ ২৫শে ডিসেম্বর ২০১৭: রবিবার বড়দিন উপলক্ষ্যে পিকনিক স্পট গুলিতে ইভটিজিং ও মাতলামী রুখতে কড়া পদক্ষেপ লক্ষ্য করা গেল কুমারগঞ্জ পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। বেশকিছু দিন আগে থেকে মাইকিং এর মাধ্যমে পিকনিং স্পট গুলিতে মদ্যপান সম্পুর্ন নিষিদ্ধ এবং বৈকাল ৫টার মধ্যে পিকনিক স্পট গুলি থেকে পিকনিক সম্পুর্ন করে যাবার বিষয়ে জনগনকে সচেতন করা হয় কুমারগঞ্জ থানার পক্ষথেকে। কুমারগঞ্জ ফরেস্ট, কুমারগঞ্জ মিশন ফরেস্ট এর মত জনবহুল পিকনিক স্পট গুলিতে খোলা হয়েছিল পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র। এর পাশাপাশি কোন রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পিকনিক স্পট গুলিতে সদা পুলিশি টহলদারি লক্ষ্যকরা যায়। পিকনিকস্পটে আশা বিভিন্ন দল গুলির সদস্যদের নাম ঠিকানা নতিভুক্ত করা হয় পুলিশের পক্ষ থেকে। স্বয়ং কুমারগঞ্জ থানার ওসি পার্থ ঝাঁ কেউ পিকনিক স্পট গুলিতে টহলদারি দিকে লক্ষ্য করা যায়। স্পট গুলিতে পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র ও পুলিশ টহল দেবে আগামী জানুয়ারি মাসে দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত বলে কুমারগঞ্জে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। কুমারগঞ্জ ফরেস্ট, কুমারগঞ্জ মিশন ফরেস্ট সহ বেশকিছু স্থান পিকনিক স্পটের জন্য আদর্শ। শুধু মাত্র পতিরাম, কুমারগঞ্জ নয় জেলার অন্যান্য জায়গা থেকে এই পিকনিক স্পট গুলিতে উৎসাহীরা আসেন। পিকনিক মানেই আর পাঁচটা বদ্ধ জীবন থেকে একটু অন্য ভাবে কাটানো। তাই পিকনিক স্পট গুলিতে মদ্যপান বা অন্যান্য নেশা করেই থাকে বিশেষ করে যুব সম্প্রদায়। আর এর পরই শুরু হয় নানা রকম অপ্রীতিকর ঘটনা। পিকনিকে মাতলামী থেকে মেয়েদের ইভিটিজিং এর মত ঘটনা। এমন ঘটনার নিদর্শন অতীতে বহু আছে। যা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার আগে ভাগেই পিকনিক স্পট গুলিতে পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র ও সদা  পুলিশি টহল দারীর ব্যবস্থা করেছে। এই কাজে পুলিশ কর্মী ও সিভিক ভলেন্টিয়ারদের ব্যবহার করা হচ্ছে। পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র ও পুলিশি টহলদারী আগামী জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত থাকবে। এর ফলে এক দিকে যেমন ইভিটিজিং কমবে তেমনি মাতালদের মাতলামীও কমবে বলে পুলিশ প্রশাসন এর পক্ষথেকে জানা গেছে। এ বিষয়ে কুমারগঞ্জ থানার ওসি পার্থ ঝা জানান,  পিকনিক স্পট গিলিতে পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর পাশাপাশি সরবদাই পিকনিক স্পট গুলিতে মোতায়ন ছিল প্রচুর পুলিশ। যেখানে যেমন প্রয়োজন সেখানে তেমন পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। পুরো পিকনিকের মরশুমেই এই পুলিশি সহায়তা কেন্দ্র ও পুলিশি নজরদারি থাকবে। এর ফলে পিকনিক স্পট গুলিতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হবে বলে পার্থ বাবু জানান।

ছবিঃ দীপঙ্কর মিত্র (টী.এন.আই)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *