উত্তরবঙ্গজলপাইগুড়ি

শৌলি নদীর সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে উপকারিত হবে ময়নাগুরির ঝাঝাঙ্গি, বাশিলারডাঙ্গা

সোমনাথ চক্রবর্তী (টী.এন.আই ময়নাগুরি) । টি.এন.আই সম্পাদনা শিলিগুড়ি

বাংলাডেস্ক, টী.এন.আই, ময়নাগুরি, ৫ই মে, ২০১৮: ময়নাগুরি ব্লকের খাগড়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের বাশিলার ডাঙ্গার কামার পাড়া ও চূড়াভান্ডার অঞ্চলের ঝাঝাঙ্গি বেতপারা এলাকার মানুষজনের দীর্ঘদিনের দাবী ছিলো শৌল নদীর উপর একটি স্থায়ী পাকা ব্রিজের। আগে ছিলো এখানে একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো। প্রতিদিন এই বাঁশের সাঁকো দিয়েই পার হতো জীবনের ঝুকি নিয়ে কয়েকশত মানুষ। এদের মধ্যে অধিকাংশ ছিল স্কুলের ছাত্রছাত্রী। অনেক সময় এই ব্রিজ থেকে অনেকে পরেও গেছেন। সংবাদ মাধ্যম একাধিকবার এখানকার মানুষের স্বার্থে বহুবার মানুষের দুর্গতির কথা তুলে ধরেছে। আজ তারই জেরে শৌলি নদীর উপর খাগড়াবাড়ি ২নং গ্রাম পঞ্চায়েতের তত্ত্বাবধানে এবং পিবিজির আর্থিক সহযোগীতায় ২৪ লক্ষ ৩৩ হাজার ৮০ টাকায় ২০ মিটার, লম্বা সেতু তৈরি হচ্ছে।

এই সেতুর নির্মান কাজ শুরু হয় ১২ই ডিসেম্বর ২০১৭ থেকে আনুমানিক শেষ হবে জুন মাসের ২০১৮ সালে শেষ হবে বলে আশা করা যায়। এই এলাকার বেশিরভাগ গ্রামগুলি কৃষিভিত্তিক সেই কারনে এখানকার কৃষকদের উৎপাদন শাকসবজি সহ অন্যান্য জিনিসপত্র হাটে বা বাজারে নিয়ে যেতে আগে ঘুরপথে যেতে হতো। লাগতো অধিক গাড়ি ভাড়া। এই ব্রিজের কাজ সম্পন্ন হয়ে গেলে আসা যাওয়া বাদক খরচ অনেক কমে যাবে। গ্রামবাসীরা শাকসবজি হাটে বাজারে নিয়ে যেতে পারবেন খুব সহজেই। এলাকার বাসিন্দা বলরাম সরকার বলেন “এই ব্রিজ এর জন্য আমদের দীর্ঘদিনের দাবী ছিলো যা খুব শীঘ্রই পুরণ হতে চলেছে। তিনি আরো বলেন এই ব্রিজ হয়ে গেলে শুধু বাশিলার ডাঙ্গার মানুষজনই নয় তার সাথে চূড়াভান্ডার, সাপ্টিবাড়ি, সহ বেশ কিছু গ্রামের মানুষের উপকার হবে”। তিনি আরো বলেন দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তারা এই ব্রীজের দাবী নিয়ে সোচ্চার হয়ে এসেছেন অবশেষে বর্তমান সরকারের আমলে এই ব্রীজ হতে দেখে সভাবতই খুশি তারা।

ছবিঃ সোমনাথ চক্রবর্তী (টী.এন.আই)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *